বরিশাল

মঠবাড়িয়ায় সন্ত্রাসী অর্থ আত্মসাৎকারী শফিকুলের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

  প্রতিনিধি ২৬ আগস্ট ২০২১ , ৮:৫১:৩৭ প্রিন্ট সংস্করণ

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় আজ ২৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ ঘটিকায় স্থানীয় ডাকবাংলোয় তুষখালী ইউনিয়নের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ভুমি দস্যু অন্যের অর্থ আত্মসাৎকারী শফিকুলের বিরুদ্ধে ওই এলাকার ভুক্তভোগীরা স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, তুষখালী ইউপি চেয়ারম্যানের ছোট ভাই নাসীর উদ্দিন হাওলাদার। ১নং তুষখালী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের তুষখালী বাজার নিবাসী মোঃ শফিকুল, পিতাঃ আইয়ুব আলী, উপজেলাঃ মঠবাড়িয়া, জেলাঃ পিরোজপুর। তিনি অত্যন্ত দুর্ধর্ষ কু-প্রকৃতির লোক। তার অর্থ আত্মসাৎ করা নেশা ও পেশা, তিনি না পারেন এমন কোন কুকর্ম নেই। আমরা অতি দরিদ্র ও নি¤œ আয়ের মানুষ, আমাদের কাছ থেকে ইতিপূর্বে মাননীয় সংসদ সদস্য ডাঃ রুস্তুম আলী ফরাজী এম,পির লোক বলে আমাদেরকে প্রধানমন্ত্রী দেয়া ঘর, সৌর বিদ্যুৎ, রেইন ওয়াটার ট্যাংক দেয়ার নাম করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেয়। অথচ সে কাজের এ পর্যন্ত কোন আলোর মুখ দেখিনি। ১৮/১৯ অর্থ বছরে ধানিসাফা ইউনিয়ন ক্ষুদ্র পানি সেচ প্রকল্প সমিতির মাধ্যমে তুষখালী ইউনিয়নের বাঁশগরি খালের গুদিঘাটা হতে ওয়াপদা বেরিবাঁধ পর্যন্ত একটি খাল খনন করেছে। যার প্রকল্পিত ব্যয় ৯৯ লাখ টাকা। সে কাজের অর্থ যোগানোর জন্য মোঃ নাসীর হাওলাদার, মোঃ হাবিবুর রহমান আকন, বশির আহম্মেদ, এস এম খাইরুল ইসলাম, মাছুম খলিফাসহ একাধিক লোক থেকে ওই কাজের লভ্যাংশ দেয়ার নাম করে প্রতারণা মূলক ওই টাকা সে হাতিয়ে নিয়েছে। এমনকি ওই কাজে শ্রম দেয়া শ্রমিকের মজুরীও সঠিক ভাবে প্রদান করেনি। আমাদের জানামতে তার বিরুদ্ধে স্থানীয় থানা ও কোর্টে প্রতারণা ও মারামারি সহ ১১টি মামলা চলমান রয়েছে। যার মামলা নং- ৩৩/২৬৯, ৪৪/১০১, ৩২/৪৬৮, ২৬/৪৬২, ৩৭, ২১, ২৮, ৫৯৪/২০২০, ৫৮৮/২০২০, ৫৮৫/২০২০, ৪৬০/২০২০। তুষখালীর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান হাওলাদারের ছোট ভাই নাসীর হাওলাদারের কাছ থেকে তুষখালী বাজারে ভিটি রেজিষ্ট্রি দেয়ার নাম করে শফিকুলের স্বাক্ষরিত সোনালী ব্যাংকের একটি অলিখিত চেক ও অলিখিত স্ট্যাম্পে ৫৪ লাখ ৯৪ হাজার ১শত ৮০ টাকা হাতিয়ে নেয়। যে ঘটনায় মঠবাড়িয়া থানায় তার বিরুদ্ধে নাসীর হাওলদার বাদী হয়ে প্রতারণা মামলা দায়ের করলে সে মামলায় ৩ মাসের অধিক সময় জেল হাজতে ছিলো। বর্তমানে জেল থেকে জামিন নিয়ে একের পর এক এলাকার নিরীহ লোককে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে আসছে। তার তান্ডবে গোটা তুষখালী বাসী অতিষ্ট হয়ে আছে। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে শফিকুলের বিরুদ্ধে ১১ ইউপি চেয়ারম্যান তার অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির প্রমান সহ একটি লিখিত প্রতিবেদন দিয়েছেন। অপর দিকে তুষখালীর সর্বস্তরের জনগন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহগনের জন্য গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করেছেন।

Print Friendly, PDF & Email

আরও খবর

Sponsered content

ব্রেকিং নিউজ