বরিশাল

মঠবাড়িয়ায় বিদ্যালয়ের নতুন ভবনে ২ বার মেরামতের বরাদ্দ

  প্রতিনিধি ৩০ আগস্ট ২০২১ , ১২:১৯:১২ প্রিন্ট সংস্করণ

মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি ::: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ৩৫ নং নাগ্রাভাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন এটি। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ভবনটির কাজ শুরু হয়। শেষ হয় ২০১৭ সালে। ২০১৮ সাল থেকে ভবনটিতে শুরু হয় পাঠদান। ২০১৯ -২০ অর্থবছরে ২ লক্ষ টাকা মেরামতের জন্য বরাদ্দ হয়।২০২০ – ২০২১ অর্থ বছরে আবারও বরাদ্দ হয় ২ লক্ষ টাকা। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অচ্যুতানন্দ দাস বলেন, ঢাকা থেকেই স্কুল সিলেক্ট করে বরাদ্দ পাঠায়। আমাদের কিছু করার নাই।

বিদ্যালয় মেরামত ও সংস্কার কাজের পরিপত্রে উল্লেখ রয়েছে, ৫ বছরের মধ্যে একই বিদ্যালয়ে একাধিকবার সংস্কার বা মেরামতের কাজে বরাদ্দ ব্যয় করা যাবে না। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে কোন বাধ্যবাধকতা নেই।

স্হানীয়দের অভিযোগ, নতুন ভবনটিতে ২০২০ সালে রং করা হয়েছে আবার এ বছর রং করা হয়েছে। এটা মেরামত না বানিজ্য আমরা স্পষ্ট হতে চাই। প্যাটার্ণ স্টোন ঢালাই না দিয়ে কোন রকম রংয়ের প্রলেপ দিয়ে সরকারী টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। বিল ভাউচারের সাথে কাজের কোন মিল নেই।টেবিল না কিনেই ১৭ হাজার টাকার ৪টি টেবিলের ভাউচার দেখানো হয়েছে। দরজা না কিনেও ভাউচার। রংয়ের ভাউচারে বার্জার রং ৩৪ হাজার ২ শত টাকা, প্লাস্টিক রং ৪৬ হাজার ৫ শত টাকা, ওয়েদার কোট ৩৩ হাজার ৬ শত টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। প্লাস্টিক রং ও ওয়েদার কোট ব্যবহার না করেই বিল ভাউচার করা হয়েছে।

সরেজমিনে গেলে স্হানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শুধু মেরামতের টাকা নয়, স্লিপ, রুটিন মেইনটেন্যান্সের টাকাও সঠিকভাবে ব্যয় করা হয় না। কর্তৃপক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্হা না নিলে মানববন্ধন সহ অনিয়মের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা বেগম জানান, শতভাগ কাজ হয়েছে। কাজে কোন অনিয়ম হয়নি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জেছের আলী জানান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের তালিকা অগ্রগামী করেন। তালিকার ব্যাপারে কোন অনিয়ম হয়ে থাকলে এবং বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় না করলে অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা নেওয়া হবে

Print Friendly, PDF & Email

আরও খবর

Sponsered content

ব্রেকিং নিউজ