বরিশাল

মঠবাড়িয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ সেতুতে জনদুর্ভোগ

                         মঠবাড়িয়া সমাচার ২ নভেম্বর ২০২১ , ১:২৬:৩৪ প্রিন্ট সংস্করণ

               

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় ঝুঁকিপূর্ণ তিন সেতু এখন জনদুর্ভোগে পরিনত হয়েছে। প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা। বছরের পর বছর বন্ধ রয়েছে যানবাহন চলাচল। মঠবাড়িয়ার পাথরঘাটা বাস স্ট্যান্ড থেকে ডৌয়াতলা কুমিরমারা কার্পেটিং ওয়াপদা সড়কের সাথে থাকা তিনটি সংযোগ সেতু এখন যেন মরন ফাঁদ। যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

সরেজমিনে দেখা যায়, হলতা নদীর ওপর স্হাপিত নয়া হাট সূর্যমণি লোহার সেতুটি দিয়ে ১০ বছর আগেই দুই চাকা সহ সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে অসুস্হ রোগী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদেরও।

২২ কুড়া সেতুটিও হলতা নদীর ওপর স্হাপিত। ২০২০ সালে টেন্ডারকৃত নতুন ব্রীজের কাজ শুরু হয়।বিক্রি করা হয় পুরনো লোহার সেতুর মালামাল।বন্ধ হয়ে যায় নদীটির দুই পারের মানুষের যোগাযোগ। কাজ কোন রকম শুরু করেই ফেলে রাখা হয় বছরের পর বছর। দেখার কেউ নেই।

হলতা নদীর ওপর আরেকটি লোহার সেতু রয়েছে কুমির মারা নতুন বাজার লাইনের পাড়ে।এ পর্যন্ত শতাধিক নারী পুরুষ ও শিশু দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। প্রতি বছর শোনা যায় টেন্ডার হয় কিন্তু কাজ হয় না বলে জানান স্হানীয়রা।

স্হানীয় শহীদুল, ফারুক,মতিউর ও আঃ মান্নান জানান, উল্লেখিত ঝুঁকিপূর্ণ লোহার সেতু দিয়ে তেঁতুলতলা,গিলাবাদ, দধিভাঙা,কাঁকড়াবুনিয়া, রাজার হাট,আমুয়া, সাতঘর,বাসাবাড়ি,উত্তর ভেচকি, গাবতলা, আশি কুড়া,কুঞ্জবাড়ই,তালেশ্বর, বুকাবুনিয়া, হলতা,সোনবুনিয়া, ভাইজোড়া ও গাবতলা সহ বিভিন্ন এলকার পথচারী ও যানবাহন চলাচল করে। এখানে টেকসহ পাকা ব্রীজ স্হাপন করা খুবই জরুরি।

এ ব্যাপরে উপজেলা প্রকৌশলী আবু সাঈদ মোঃ কাজী জসিম জানান, সয়েল টেস্ট করা হয়েছে। এলজিইডির হেড কোয়ার্টার থেকে অনুমোদন পেলে টেন্ডার হবে। এছাড়া উপজেলা পরিষদের মিটিংয়েও ঝুঁকিপূর্ণ লোহার সেতুগুলোতে জনদুর্ভোগ কমাতে আলোচনা করা হয়েছে।

আরও খবর

Sponsered content

ব্রেকিং নিউজ