বরিশাল

মঠবাড়িয়ায় পরকীয়ার টানে প্রবাসীর স্ত্রী তিন সন্তানের জননী উধাও

                         মঠবাড়িয়া সমাচার ১৯ নভেম্বর ২০২১ , ৩:১৯:০৯ প্রিন্ট সংস্করণ

               

স্টাফ রিপোর্টারঃ  পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ভাইজোরা গ্রামের আলতাফ আকনের ছেলে প্রবাসী বেলায়েত আকনের স্ত্রী তিন সন্তানের জননী রুনু বেগম (৩৫) পরকীয়ার টানে প্রেমিক নাজমুলের সাথে পালিয়ে যায়। বেলায়েত আকনের পারিবারিক সুত্রে জানাযায় ২০০৪ সালে বেলায়েতের সাথে একই এলাকার আপন চাচা রুহুল আমিন আকনের মেয়ে রুনুর সাথে শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ হয়।বিবাহের পর তাদের দাম্পত্য জীবনে দুটি কন্যা ও একটি পুত্র সন্তান জন্ম হয়।এরপর অভাব অনাটনের কারনে বেলায়েত চলে যায় সৌদি আরব। প্রবাসে যাওয়াই যেনো বেলায়েতের পারিবারিক জীবনে কালো ছায়া নেমে আসে। প্রবাসে যাওয়ার পরে তার পরিবারে সচ্ছলতা ফিরে আসলেও স্ত্রী রুনু বেগম জড়িয়ে পরে পরকীয়ায়।এলাকা বাসী সুত্রে জানাযায় পাশ্ববর্তী আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের হোগলপাতি গ্রামের নুরুল হক ফকিরের ছেলে নাজমুলের সাথে রুনু বেগম পরকীয়ার টানে তিন টি সন্তান নিয়ে দুই বছর পূর্বে সংসার ছেড়ে পালিয়ে যায়।এ ঘটনা শুনে বেলায়েত দেশে এসে সন্তানদের কথা ভেবে স্হানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে নাজমুলের কাছ থেকে রুনু কে ফিরিয়ে এনে গন্যমান্য দের কথায় পুনরায় স্ত্রী রুনু বেগম কে নিয়ে সংসার শুরু করে। ছুটি শেষে বেলায়েত প্রবাসে চলে গেলে আবারো দ্বিতীয় বারের মতো রুনু চলে যায় নাজমুলের কাছে। তখন রুনুর বাবা মা আবারও ফিরিয়ে এনে তার মেয়েকে।এ দিকে রুনুর মেয়ে বড়ো হওয়ায় মেয়েকে বিবাহ দেয় রুনুর মা বাবা সহ বেলায়েতের পরিবারের লোকজন। মেয়ে বিবাহ দিয়ে শাশুরী হয়ে ও থেমে নেই রুনু। সম্প্রতি ছয় নভেম্বর ২০২১ তারিখে মেঝো মেয়ে সাদিয়া আক্তার ও ছেলে জিহাদ কে নিয়ে তৃতীয় বারের মতো আবারো নাজমুল কে নিয়ে পালিয়ে যায় রুনু।এ ঘটনায় বেলায়েতের বড়ো মেয়ে সনিয়া আক্তার বাদী হয়ে ভাই জিহাদ ও বোন সাদিয়া কে উদ্ধার পূর্বক ফিরে পেতে মঠবাড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এ ঘটনায় অত্র এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়।এ ব্যাপারে রুনুর মায়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার মেয়েকে যে কিভাবে নাজমুল নিয়ে যায় তাই বুঝিনা,আমার জামাই বেলায়েত প্রত্যেক মাসে বিশ পঁচিশ হাজার টাকা পাঠায়।তারপর ও ওর সমস্যা কোথায় মনে হয় নাজমুল তাবিজ করে বারবার আমার মেয়েকে নিয়ে যায়। অন্যদিকে নাজমুল রুনুকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ায় নাজমুলের প্রথম স্ত্রী ও সন্তানদের চলছে অসহায়ত্বের আর্তনাদ।তার প্রথম স্ত্রী বলেন আমার চাঁদের মতো দুটি সন্তান রেখে আমার স্বামী বারবার এভাবে করে আপনাদের মাধ্যমে এর সঠিক বিচার চাই। এ ব্যাপারে নাজমুলের মুঠোফোনে না পেলেও রুনুর সাথে তার মেয়ের মাধ্যমে কথা বললে তিনি বলেন তোর বাবা আমার ঠিক মতো খোঁজ খবর নেয় না তাই আমি চলে আসছি।

আরও খবর

Sponsered content

ব্রেকিং নিউজ