প্রচ্ছদ

ভাঙ্গায় ৫০ বছরের পুরানো মশকুল মাদ্রাসা মাঠের মাটি  লুটেরা পিতা- পুত্র, ফু্ঁসে উঠছে ছাত্র শিক্ষক

                         মঠবাড়িয়া সমাচার ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ , ৮:২৮:০১ প্রিন্ট সংস্করণ

               

আনোয়ার জাহিদঃ ভাঙ্গা,, কয়রা মশকুল কোরান মাদ্রাসা, মাঠের মাটি কেটে জোড়পূর্বক বিক্রি করছে স্হানীয় পিতা পুত্রের দুর্বৃত্বায়নের একটি প্রভাবশালী  চক্র।
এমন অভিযোগ মাদ্রাসার সুপার/ প্রিন্সিপাল মাওলানা মোর্শেদ আলমের। তিনি বলেন, আমি একটা চিল্লায় আসছি, এ সূযোগে মাদ্রাসার ঐতিহ্য শেষ করে দিয়েছে। এখন পুরো মাদ্রাসার ভবন, টিউবওয়েল ঝু্ঁকিতে।
এই প্রতিবেদকের সাথে কথা হয়, মাটি কেটে নেওয়া আঃ গফুর হাওলাারের সাথে তিনি গনমাধ্যম কে বললেন, আমি আমার জায়গার মাটি- কেটে আমার জায়গা ভরছি। কিন্তু মাদ্রাসার সভাপতি বললেন সম্পুর্ন মাটি বিক্রি করে দিয়েছেন।
সরেজমিন গিয়ে দেখে শুনে জানাগেলো, মাদ্রাসার মাটি এলাকায় চলমান রেল প্রকল্পের লোকদের কাছে বিক্রি  করা হয়েছে। অথচ গফুর হাওলাদার বললেন, মাটি কেটে আমি খাদ ভরেছি। এর কোন সতত্যা পাওয়া যায়নি।
কথা হয় আজিম নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহান হাওলাারের  সাথে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে বলেন,, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি- কাটা বন্ধ করে দিয়েছি। গফুরকে মাটি না কাটার জন্য অনুরোধ করছি। শুনলে ভাল। না শুনলে আইন এবং সাংবাদিকরা দেখবেন। আর কিছু বলার নাই।
স্হানীয় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ,, শান্তি ইসলাম গ্রুপের,,  চেয়ারম্যান মোঃ এনায়েত হোসেন মুন্সি বলেন, মাদ্রাসার মাটি জোড়পূর্বক কেটে গভীর খাদ তৈয়রী করায় ৫০ বছর আগের কওমি মাদ্রাসাটির তিনটি ভবন, তথা দুটি বিল্ডিং ভবন একটি টিনসেট ভবন প্রচন্ডভাবে ঝুঁকিতে আছে। সাথে একমাত্র গভীর নলকুপটি রয়েছে ভয়াবহু ঝঁকিতে।
আগামী বর্ষার মৌসুমে এই মাদ্রাসার ভবন ও একমাত্র গভীর নলকূপটি ক্ষতির মুখে পড়বে। এতে কোন সন্দেহ নাই।
তিনি আরো বলেন, জোর যার মুল্লুক তার এমন অবস্হায় আছি আমরা।
,মশকুল কুরআন কয়রা মাদ্রাসার,,  সভাপতি মোঃ কালাম হাজীর সাথে কথা বললে তিনি গনমাধ্যম কে জানান, মাদ্রাসার টিউবওয়েলের পাশ থেকে গভীর খাত করে মাটি কাটায় প্রচন্ডভাবে ঝু্কিতে আছে নলকুপটি। কাজটি কোন মতে ঠিক হয়নি।
 এখান থেকে প্রায় ২০/২৫ গাড়ী  মাটি কেটে বিক্রি করছে বলে আমি জেনেছি। কোথায় বিক্রি করছে জানি না। তবে পাশের কোন খাদে এক ফোটা মাটি নাই।
 আমি মাদ্রাসার মাঠের মাটি কাটতে নিষেধ করছি তারা আমার কথা শুনেনি।
শুক্রবার (১১ জানুয়ারি),  ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খবর শুনে এসে আমাকে ডাকেন এবং পিতা পুত্রকে মাটি কাটতে নিষেধ করা হয়। শুনলে ভাল।
এহন কর্মকান্ডে,  ফু্ঁসে উঠছে ভাঙ্গা উপজোর  হাজার হাজার মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষকরা।মাটি লুটেরা দল দিন দিন বেপরোয়া হয়ে পড়ায় এখন তার মাদ্রাসার মাঠ ঘাটের মাটি বিক্রিতে দ্বিধাবোদ করছেন, না।
উল্লেখ, এই মাদ্রাসাটিতে ৫ জন শিক্ষক এবং প্রায় একশত ছাত্র/ ছাত্রী,  ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষা গ্রহন করে পুরো এলাকাকে আলোকিত করে তুলছেন।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত, শুক্রবার, (১১ ফেব্রুয়ারি)  রাতে এবং শনিবার, (১২ ফেব্রুয়ারি)  ঘটনাস্থলে ছুঁটে যান ভাঙ্গার উপজেলার ৫/৬ টি মাদ্রাসার ছাত্র/ শিক্ষকদের শতাধিকের একটি দল। তাদের সকল দাবি যে স্হান থেকে মাটি কাটা হয়েছে সেই জায়গা লুটের দল ভরে না দিলে কঠোর আন্দোলনে নামবে তারা। ঘটনায় পুরো উপজেলায় ধর্মপ্রান তৌহিদ জনতার মধ্যে ব্যাপক ঘৃনার জন্ম দিয়েছে।

আরও খবর

Sponsered content

ব্রেকিং নিউজ