বরিশাল

মঠবাড়িয়ায় অবৈধ ইটপাঁজা”জেগে ঘুমায় প্রশাসন!

                         মঠবাড়িয়া সমাচার ৮ মার্চ ২০২২ , ১২:৫৭:৩৬ প্রিন্ট সংস্করণ

               

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় একাধিক আবাসিক এলাকায় গড়ে উঠেছে অবৈধ ইটপাঁজা। পাঁজা মালিকদের দৌরত্ব দেখা মনে হয় এখানে সরকারের কোন আইন চলে না, চলে পাঁজা মালিকদের নিজস্ব আইন।

কেউ রাস্তায় ব্যবহারের কথা বলে, কেউ মসজিদ করার কথা বলে আবার কেউ কেউ আর পাঁজা পোড়াবে না বলে বছরের পর বছর চালায় আবাসিক এলাকায় ইটপাঁজার বানিজ্য।

মঠবাড়িয়ার জনবহুল একটি আবাসিক এলাকা পশ্চিম মিঠাখালী গ্রাম। এ গ্রামেও সামছের হাওলাদারের পুত্র কামাল হাওলাদার এ বছর গড়ে তুলেছেন ইটের পাঁজা।

কামাল হাওলাদার বলেন, ব্যবসা করার জন্য নয়, ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের জন্য ইটপাঁজা তৈরি করেছি। অফিসে বিষয়টি জানে।

তবে কোন অফিস তা বলেননি তিনি।

মঠবাড়িয়া উপজেলার উলুবাড়িয়া গ্রামে একটি বৈদ্যুতিক লাইনের পাশেই আবু জাফরের ইটপাঁজা। গুদিঘাটা গ্রামের আঃ রব হাওলাদারের পুত্র জাফরের ওই ইটপাঁজার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে স্হানীয়রা।

পরিবেশ আইনে উল্লেখ আছে, আবাসিক এলাকায় ইট পোড়ানো যাবে না। আবাসিক এলাকা অর্থ এমন কোন এলাকা যেখানে কমপক্ষে ৫০ (পঞ্চাশটি) পরিবার বসবাস করে।

পরিবেশ আইন অনুযায়ী, ইটপাঁজার কোন অনুমোদন নেই। এটি সম্পূর্ণ অবৈধ।

কিন্তু মঠবাড়িয়ায় বছরের পর বছর ইটপাঁজা চললেও এ নিয়ে মাথা ব্যথা নেই প্রশাসনের। মিল পাওয়া যায় না কাগজের নিয়মের সাথে বাস্তবের।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জানাতে গেলে বলেন ইউএনও অফিসে জানাতে আর ইউএনও অফিসে জানালে বলেন ‘অভিযোগ পেলে ব্যবস্হা নেওয়া হবে’ অথবা এটি পরিবেশ অধিদপ্তরের বিষয় বলে দায় সারে।

পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে বলা হয়, ইটপাঁজার মত ছোটখাট অভিযান আমরা করতে চাই না। ইউএনও অফিস এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পারে।

মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঊর্মি ভৌমিক বলেন, “অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) চৌধুরী রওশন ইসলাম মঠবাড়ীয়া সমাচারকে জানান, অবৈধ ইটপাঁজা বন্ধ করতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ব্যবস্থা নিতে পারেন।

তবে পরিবেশ অধিদপ্তর বরিশাল অঞ্চলের পরিচালক আঃ হালিম জানান, তথ্য সংগ্রহ করে বিভিন্ন অভিযোগ সমন্বয় করে অভিযান পরিচালনা করা হবে

আরও খবর

Sponsered content

ব্রেকিং নিউজ