কৃষি ও বাণিজ্য

পিরোজপুরের কৃষকের মুখে হাসি

                         মঠবাড়িয়া সমাচার ১২ মার্চ ২০২২ , ১১:০২:৫৫ প্রিন্ট সংস্করণ

               

যে জমি দিনের পর দিন ছিল পতিত, আজ সেখানে শোভা পাচ্ছে ফসলের ক্ষেত। অন্যান্য ফসলের তুলনায় কম খরচে অধিক ফলন হওয়ায় ভুট্টা চাষে ঝুঁকে পড়েছেন পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার চরাঞ্চলের কৃষকরা।

রবি মৌসুমে মধ্য আশ্বিন থেকে মধ্য অগ্রহায়ণ (অক্টোবর-নভেম্বর) এবং খরিফ মৌসুমে ফাল্গুন থকে মধ্য চৈত্র (ফেব্রুয়ারী-মার্চ) পর্যন্ত বীজ বপনের উপযুক্ত সময় ভুট্টার। তুলনামূলক অল্প সময়ে কম খরচে লাভবান হওয়ায় ভুট্টা চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ভুট্টা খেতে সেচ ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে কৃষকদের। ভুট্টা রোপণ থকে এ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ভালো ফলন আশা করছে নজিরপুরের কৃষকেরা।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে উপজেলায় ৪৫ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উপজেলার বড় আমতলা গ্রামের ভুট্টা চাষি আকাশ মজুমদার বলেন, গত বছর প্রায় এক একর জমিতে ভুট্টা চাষ করেছিলাম। প্রতি একরে ৫০ মণ ভুট্টা পেয়েছিলাম। দাম ও ভালো পেয়েছি। তাই এ বছর দুই একর জমিতে চাষ করেছি। আশা করি গত বছরের মতো ভালো দাম থাকলে এ বছরও লাভবান হতে পারব।’

নারায়ণ নামে অন্য একজন কৃষক বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে ফলন আসার আগ পর্যন্ত ৮-১০ হাজার টাকা খরচ হয় এবং প্রতি বিঘায় প্রায় ৩৫ মণ ফলন হয়। গত বছর ৮-৯ শত টাকা করে ভুট্টার মণ বিক্রি করেছিলাম, তাতে আমার প্রায় ২০ হাজার টাকা লাভ হয়েছিল। তাই এ বছর বেশি জমিতে ভুট্টা চাষ করেছি। আশা করি এ বছরও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো লাভ হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিগিজয় হাজরা বলেন, আমরা কৃষকের পাশে আছি, সরকারি প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে এবং রোগ বালাই ও পোকামাকড় দমনে পরামর্শ দিচ্ছি। চাষিদের ভুট্টা চাষের জন্য উৎসাহও দেওয়া হচ্ছে।

আরও খবর

Sponsered content

ব্রেকিং নিউজ